Advertisement
E-Paper

বাড়ি জুড়ে ৬০,০০০ বিষধর সাপ! পিট ভাইপার, গোখরো পুষে বছরে দেড় কোটি টাকা আয় তরুণীর

৫০,০০০-এরও বেশি অত্যন্ত বিষধর প্রজাতির পিট ভাইপার ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ এবং প্রায় ১০,০০০ গোখরোর বাস রয়েছে তরুণীর খামারে। এই সমস্ত সাপের বিষ, চামড়া, মাংস বিক্রি করে বিপুল আয় করেন তরুণী। এটি তাঁর পৈতৃক ব্যবসা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৩৩

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

সাপ পুষেই বছরে প্রায় দেড় লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা) আয় করেন তরুণী। বাড়িতে রয়েছে ৬০ হাজারের বেশি শীতল রক্তের বিষধর সব পোষ্য! বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হওয়ার দু’বছর পর লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন তিনি। সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৬০,০০০-এরও বেশি ভয়ঙ্কর প্রজাতির সরীসৃপকে প্রতিপালন করেন চিনের গুয়াংজি প্রদেশের গুইলিন শহরের বাসিন্দা কিন।

৫০,০০০-এরও বেশি অত্যন্ত বিষধর প্রজাতির পিট ভাইপার ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ এবং প্রায় ১০,০০০ গোখরোর বাস রয়েছে তরুণীর খামারে। এই সমস্ত সাপের বিষ, চামড়া, মাংস বিক্রি করে বিপুল আয় করেন তরুণী। এটি তাঁর পৈতৃক ব্যবসা। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তরুণী জানিয়েছেন, প্রথম দিকে মেয়ের এই সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন তরুণীর বাবা। তাঁর মতে, এই ব্যবসায় পা রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সাপের খামারটি বড় হতে থাকলে এবং তরুণীর একার পক্ষে তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ায় বাবাও সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।

কিন ব্যাখ্যা করেছেন যে, শুকনো সাপ, সাপের পিত্তথলি এবং সাপের তেল সবই চিনে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। সাপের বিষদাঁত থেকে নিষ্কাশিত বিষ চিকিৎসা ও গবেষণার কাজে লাগে। পিট ভাইপার প্রজাতির সাপ থেকে প্রতি দু’মাস অন্তর বিষ সংগ্রহ করা হয়। বিষের গুণমানভেদে এর দাম প্রতি গ্রাম ৪০ থেকে ২০০ ইউয়ান (৬ থেকে ৩০ ডলার) পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রতিটি সাপের মাংস ২০০ থেকে ৩০০ ইউয়ানে বিক্রি হয়, তবে বড় সাপের ক্ষেত্রে দাম ১,০০০ ইউয়ানের (১৫০ ডলার) বেশিও হতে পারে।

Advertisement

সমস্ত খরচ বাদ দেওয়ার পর, ব্যবসা থেকে বছরে দশ লক্ষ ইউয়ানেরও বেশি আয় করেন কিন। ‘দ্য গার্ল হু কালেক্টস স্নেক ভেনম’ ছদ্মনামে অনলাইনে সাপের বিষয়ে নানা অভিজ্ঞতা ও ব্যবহারিক জ্ঞানও শেয়ার করেন তিনি। সমাজমাধ্যমে তাঁর কয়েক হাজার অনুসরণকারীও রয়েছে। কিন জানিয়েছেন, ফাইভ স্টেপ স্নেক সাপের যত্ন নেওয়া খুবই কঠিন। কারণ এদের জোর করে খাওয়াতে হয়। সেই কাজ করতে গিয়ে ছোবল খাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। কিন জানান, সাপ সংক্রান্ত ভিডিয়োগুলি পোস্ট করার পর প্রায়শই তাঁর কাছে প্রশ্ন আসে যে যাঁরা সাপ পোষেন, তাঁরা কি সাপের কামড় খাওয়ার ভয় পান না? কিন জানিয়েছেন, সাপ পোষেন এমন কেউ যদি দাবি করেন যে তিনি সাপের কামড়কে ভয় পায় না, তা হলে এর একটাই সম্ভাবনা আছে। সেটি হল তিনি কখনও সাপের কামড় খাননি। বিশেষ করে পিট ভাইপার জাতীয় সাপের ক্ষেত্রে, কামড়ের পর প্রধান লক্ষণ হল তীব্র ব্যথা। এক বার এই অভিজ্ঞতা হলে, যে কেউই সেই ব্যথা এক বছর, এমনকি সারা জীবনের জন্যও মনে রাখবেন।

China Snake
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy