আগ্নেয়গিরির মুখে স্টান্ট দেখাচ্ছিলেন অ্যাক্রোব্যাট শিল্পী। অসাবধানতায় জ্বালামুখের ভেতরেই পড়ে গেলেন তিনি। মৃত্যু হল তাঁর। ইয়েমেনের ওই অ্যাক্রোব্যাট শিল্পীর নাম আল-কাক্কা বিন আনতার। তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্তের সেই রোমহর্ষক দৃশ্য ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ইয়েমেনের আল-ধালি প্রদেশে হারাদাত দামত নামে একটি আগ্নেয়গিরির মুখে খাড়াই পাহাড়ে দুঃসাহসিক কসরত দেখাচ্ছিলেন আনতার। কিন্তু স্টান্ট করার ভারসাম্য হারিয়ে আগ্নেয়গিরির ভিতরে পড়ে যান তিনি। মৃত্যু হয় আনতারের। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, আগ্নেয়গিরির মুখের খাড়া ভেতরের দেয়ালে আরোহণ এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কসরত প্রদর্শন করছিলেন যুবক। কিন্তু হঠাৎ পা পিছলে তিনি নীচে গভীর খাদে পড়ে যান। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, মারাত্মক আঘাত পেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। অন্য একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা দুর্গম এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুন:
-
ভাড়াবাবদ ১৫৬ টাকার বদলে ভুলবশত ১৫,৬৮২ টাকা দিলেন উদ্যোগপতি! অটোচালক যা করলেন, দেখে তাজ্জব নেটপাড়া
-
টাটকা আখের রস কিনতে গিয়েছিলেন তরুণী, বিক্রেতার আসল পরিচয় জেনে কপালে উঠল চোখ, খেলেন বিষমও!
-
মহিলা কামরায় দাঁড়িয়ে থাকা তরুণীদের ‘বিশেষ’ ছবি তুললেন বসে থাকা দুই মহিলা! রাজি হলেন না মুছতে, ভাইরাল ভিডিয়োয় বিতর্ক
আনতারের পড়ে যাওয়ার মুহূর্তের ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘এল হিদ্রোকালিদো’ নামে একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। যুবক অ্যাক্রোব্যাট শিল্পীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশও করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ।
আরও পড়ুন:
-
কালো, চকচকে, সরু, গায়ে ডোরাকাটা দাগ, ‘নীরব ঘাতক’কে দেখে ভয় পেল নেটপাড়া! ভাইরাল ভিডিয়োয় হইচই
-
ঋণের বোঝা, মানসিক চাপ, সহ্য করতে না পেরে ১৩ তলা থেকে লাফ তরুণ ডেলিভারি কর্মীর, ভাইরাল ভয়ঙ্কর ভিডিয়ো
-
মৃত পুরুষদের যৌনাঙ্গ নিয়ে মশকরা! বিরিয়ানি-কাণ্ডের পর একই কৌতুকশিল্পীর অনুষ্ঠানে বিতর্ক তৈরি করলেন তরুণী চিকিৎসক
দামত জেলায় অবস্থিত হারাদাত দামত আগ্নেয়গিরি অঞ্চলটির অন্যতম অনন্য প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরির মুখটিতে পৌঁছোনোর জন্য ১১৫টিরও বেশি ধাপবিশিষ্ট একটি ধাতব সিঁড়ি রয়েছে। প্রায় ১২০ মিটার গভীর এই আগ্নেয়গিরি খাড়া পাথুরে কাঠামো দিয়ে ঘেরা। ফলে সেখানে ওঠা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।