মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশ্লীল, অপমানজনক এবং আপত্তিকর মন্তব্য করে লাগাতার ভিডিয়ো প্রচার করার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। ওই থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পুলিশ তার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করেছে। এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সমস্ত ভিডিয়োতে এফআইআর-এ উল্লিখিত ব্যক্তিকেই বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা যায়। অভিযোগ, মন্তব্যগুলি অশ্লীল, অপমানজনক, আপত্তিকর এবং যৌন উত্তেজনাপূর্ণ। এতে মুখ্যমন্ত্রীর শালীনতাকে ভঙ্গ করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ওই ভিডিয়োতে। দাবি, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্ররোচনায় ভিডিয়োগুলি তৈরি করা হয়েছে। ভুয়ো, উস্কানিমূলক এবং ধর্মীয় মন্তব্যগুলি যে কোনও মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এফআইআর-এ। ভিডিয়োগুলি ছড়ানো হয়েছে ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা থেকে।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিয়ো ছড়ানোর মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন মিলিয়ে মোট ১৬টি ধারা প্রয়োগ করেছে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। রাজনৈতিক দলগুলি আপাতত জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে লড়বেন ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে। সেখানে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর এবং বীরভূমের দুবরাজপুরে মমতা জনসভা করেছেন। অন্য দিকে রামনবমী উপলক্ষে রাজ্য জুড়ে বিজেপির উদ্যাপনেই মিলে গিয়েছে নির্বাচনী প্রচার।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত