Advertisement
E-Paper

আক্রান্ত দুই সিভিক, সংখ্যা বেড়ে ৩২৪

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচক থানা এলাকায় কর্মরত ওই দুই সিভিকের এক জনের বাড়ি আলিপুর ২ পঞ্চায়েতের শেরশাহী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২০ ০৮:৪৯
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

জেলায় করোনা আক্রান্ত হলেন দুই সিভিককর্মী। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তাঁরা কালিয়াচক থানা এলাকায় কর্মরত ছিলেন। বাড়িও কালিয়াচকে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মালদহে নতুন করে যে ১০ জনের লালারসের রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে, তাঁদের মধ্যে ওই দুই সিভিককর্মীর পাশাপাশি চাঁচল ২ ব্লকের রসুলপুর এলাকার একই পরিবারের চার জন সদস্য রয়েছেন। ওই গ্রামের আরও এক জন আক্রান্ত হন। তা ছাড়া হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ভালুকা এলাকার বাবা ও ছেলে আক্রান্ত হয়েছেন। রসুলপুর ও ভালুকার আক্রান্তেরা যথাক্রমে দিল্লি এবং মুম্বই থেকে ফিরে আসা শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার। কালিয়াচকের এক কম্পিউটার ব্যবসায়ীও আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩২৪।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচক থানা এলাকায় কর্মরত ওই দুই সিভিকের এক জনের বাড়ি আলিপুর ২ পঞ্চায়েতের শেরশাহী। অন্য জনের মোজমপুর পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়ায়। ওই দু’জন কয়েক দিন ধরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে ভিড় সামাল দেওয়ার কাজ করছিলেন। ১৩ জুন ওই দু’জন-সহ ২০ জন সিভিককর্মীর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সোমবার রাতে দু’জনের রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। যদিও তাঁদের কোনও উপসর্গ নেই। এ দিন তাঁদের কালিয়াচকের সুজাপুর পলিটেকনিক কলেজের কোভিড কেয়ার সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। তবে একে গোষ্ঠী সংক্রমণ হিসেবে মানতে নারাজ স্বাস্থ্যকর্তারা।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এ দিন কালিয়াচকের খালতিপুর সংলগ্ন দৌলত সর্দারটোলার এক কম্পিউটার ব্যবসায়ীও করোনায় আক্রান্ত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর বাড়িতেই ব্যবসা। ১৩ জুন তাঁর জ্বর এসেছিল।

সিলামপুর হাসপাতালে গেলে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ দিন রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। যদিও জ্বর একদিনের মধ্যে কমে গিয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। তাঁকেও সেফ হোমে রাখা হয়েছে। চাঁচল ২ ব্লকের ভাকরি গ্রাম পঞ্চায়েতের রসুলপুর গ্রামের একটি পরিবারের পাঁচজন আক্রান্ত হন। তাঁরা ১০ জুন দিল্লি থেকে ট্রেনে মালদহে আসেন। ওই পরিবারের বাড়ির পাশেই থাকা আরও এক যুবক আক্রান্ত হন। তিনিও এই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দিল্লি থেকে ফিরেছিলেন। ওই যুবকও পরিযায়ী শ্রমিক। এছাড়া হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ভালুকা এলাকার একই পরিবারের বাবা ও ছেলে আক্রান্ত হন। দু’জনেই পরিযায়ী শ্রমিক। সম্প্রতি তারা মুম্বই থেকে ফিরেছিলেন।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভূষণ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সকলকেই সেফ হোমে রাখা হয়েছে। কারও বাহ্যিক কোনও উপসর্গ নেই।’’

Coronavirus Health Covid-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy