Advertisement
E-Paper

‘ইরানের বন্দর অবরোধে সায় নেই আমাদের, যোগও দেব না’! ট্রাম্পের পদক্ষেপের বিরোধিতা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারের

ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে হরমুজ়ে পণ্য পরিবহণকারী সমস্ত জাহাজ আটকাবে আমেরিকা। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেল, জাহাজ কোনও কিছুই ইরান থেকে বাইরে যেতে দেওয়া হবে না।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫৭
British Prime Minister Keir Starmer says, UK will not join Donald Trump’s blockade of Iran\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s ports

(বাঁ দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কিয়ের স্টার্মার (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার ইরান যুদ্ধের শুরুতেই নিঃশর্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। কিন্তু স্টার্মার তাঁর আশা পূরণ করেননি। এ বার ট্রাম্পের হরমুজ় প্রণালী অবরোধের সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করল লন্ডন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল থেকে হরমুজ় অবরোধের যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন, তাতে তাঁর সায় নেই। পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধের অভিযানে শামিল হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

স্টার্মার সোমবার দুপুরে বলেন, ‘‘আমাদের মাইন সুইপার (মাইন চিহ্নিতকারী যান) এবং ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থা ওই অঞ্চলে কার্যকলাপ চালিয়ে যাবে, কিন্তু ব্রিটিশ নৌসেনার জাহাজ ও বাহিনীকে ইরানের বন্দর অবরোধে ব্যবহার করা হবে না।’’ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম)। সেই চারটি জায়গা হল— খার্গ দ্বীপ, জাস্ক টার্মিনাল, বন্দর আব্বাস এবং বন্দর খুমেইনি। প্রসঙ্গত, সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান তাঁদের এই ‘লাইফলাইন’কেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে দিয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের এমন অবরোধ-পদক্ষেপে ব্রিটেনের সায় নেই জানিয়ে স্টার্মারের মন্তব্য, ‘‘আমরা চাই জ্বালানির দাম যত দ্রুত সম্ভব কমানোর জন্য হরমুজ় প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আবার পুরোপুরি খুলে দেওয়া হোক।’’

সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরে বেশ কিছু জাহাজকে ছেড়ে দিয়েছে ইরান। তবে এটাও ঘোষণা করে, হরমুজ়কে ব্যবহার করতে হলে প্রত্যেক জাহাজকে তাদের কর দিতে হবে। কোনও কোনও তেলবাহী জাহাজকে ২০ লক্ষ ডলার কর দিয়ে হরমুজ় পার করতে হয়েছে বলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি। বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে এটাও দাবি করা হয়েছে যে, হরমুজ় দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ওমান তাদের অশোধিত তেল বিশ্ববাজারে পৌঁছোতে পারছে না। কিন্তু সামরিক সংঘাত চলাকালীন ইরান কিন্তু নিজেদের তেলবাহী জাহাজগুলির যাতায়াত জারি রেখেছিল। আমেরিকা এ বার সেই জায়গাতেই আঘাত করে ইরানের অর্থনীতি ব্যবস্থার উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে। সেন্টিকমের তরফে সোমবার জানানো হয়েছে, যে সমস্ত জাহাজ ইরানের কোনও বন্দরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবে বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে, সেগুলিকেই আটকানো হবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরগুলির ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। তবে ইরানের বন্দরের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না-রেখে যে জাহাজগুলি হরমুজ় দিয়ে যাতায়াত করবে, তাদের বাধা দেবে না মার্কিন সেনা। তাদের জলপথে যাতায়াতের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে না।

Advertisement
Keir Starmer Donald Trump Strait of Hormuz US-Israel vs Iran US-Iran War NATO US-Iran Conflict Israel-Iran Conflict Iran-Israel Conflict
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy