যে কোনও ধরনের হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক কমান্ডারকে এ বার সেই বার্তাই দিয়ে রাখলেন সে দেশের সেনাপ্রধান আমির হাতামি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব কমান্ডারকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, শত্রুপক্ষের প্রতিটি গতিবিধির উপর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এবং নিখুঁত ভাবে নজর রাখতে হবে।
ইরান যুদ্ধ কোন পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও তাতে এখনও পর্যন্ত বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন। এ অবস্থায় ইরানের সামরিক বাহিনীকে সজাগ থাকার কথা বললেন সে দেশের সেনাপ্রধান। ইরানের সেনার কমান্ডার-ইন-চিফ হাতামি বলেন, “শত্রুপক্ষ যদি স্থলপথে কোনও ধরনের অভিযানের চেষ্টা চালায়, তবে তাদের কোনও সৈন্য যেন জীবিত ফিরে যেতে না পারে।”
জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের সামরিক শক্তির উপর বিধ্বংসী আঘাত হেনেছে। খুব শীঘ্রই যুদ্ধ শেষ হবে। ইরান আর দু’-তিন সপ্তাহের বেশি লড়াই চালিয়ে নিয়ে যেতে অক্ষম।
আরও পড়ুন:
ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, “সে দেশের বিমানবাহিনীও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ইরানের অধিকাংশ নেতাই এখন মৃত। ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস’-এর কমান্ড এবং কন্ট্রোল ব্যবস্থা এই মুহূর্তে ধূলিসাৎ করা হচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষমতাও এখন আর তত শক্তিশালী নেই। ইরানের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলি টুকরো টুকরো করে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
১৬:৪৯
ইরানের বন্দরে একের পর এক জাহাজে আগুন! লেবাননে মুহুর্মুহু হামলা ইজ়রায়েলের, পশ্চিম এশিয়ায় আবার সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে -
‘আমেরিকার সামনে দুই বিকল্প, বলও ওদের কোর্টে’! যুদ্ধ নিয়ে প্রস্তাব ফেরাতেই ট্রাম্পকে বার্তা ইরানের, কোন দিকে ইঙ্গিত
-
‘আমরা জলদস্যুই’! হরমুজ়ে ইরানি জাহাজের ‘দখল’ প্রসঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশংসা করলেন ট্রাম্প
-
‘কালো ইগল’-এর ঠোক্করের আতঙ্কে থরহরিকম্প! ট্রাম্পের ‘ইয়র্কারে স্টাম্প ওড়া’র ভয়ে শান্তিচুক্তিতে নিমরাজি শিয়া ফৌজ?
-
ইরান-যুদ্ধে সাহায্য না পেয়ে বড় পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের, ৫০০০ সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে ইউরোপের দেশ থেকে