সেনাবাহিনীর থেকে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় গত বছরে শহিদ মিনার চত্বরে বাজি বাজার বসেনি। এ বার সেই জট কাটিয়ে ময়দানের শহিদ মিনার চত্বরে ফের বসতে চলেছে বাজি বাজার। 

প্রতি বছর কালীপুজোয় ময়দানের শহিদ মিনার চত্বর, বিজয়গড়, বেহালা, টালা, কালিকাপুরে বাজি বাজার বসে। এদের মধ্যে সব চেয়ে বড় বাজি বাজার হয় ময়দান চত্বরে। কিন্তু গত বছর সেনাবাহিনীর থেকে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় সেই বাজি বাজার বসেছিল বিবেকানন্দ পার্কে। পশ্চিমবঙ্গ বাজি শিল্প উন্নয়ন সমিতির সভাপতি শুভঙ্কর মান্না বলেন, ‘‘এ বার দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই শহিদ মিনার চত্বরে বাজি বাজারের জন্য অনুমতি পেতে রাজ্য প্রশাসনের তরফে সেনার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছিল।

একাধিক বৈঠকের পরে এ নিয়ে সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। আশা করছি, শীঘ্রই সেনা থেকে এনওসি মিলবে।’’

শহিদ মিনার চত্বরে বাজি বাজার হওয়ায় খুশি সারা বাংলা আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়। তাঁর কথায়, ‘‘ময়দানে বাজি কিনতে আসেন বেশিরভাগ মানুষ। গত বছর বিবেকানন্দ পার্কে বাজি বাজার করায় একাধিক সমস্যা হয়েছিল। এ বার সেই সমস্যা ঘুচবে। মানুষ খুশিমতো বাজি কিনতে পারবেন।’’ কলকাতা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘সেনাবাহিনীর থেকে প্রাথমিক সঙ্কেত মিলেছে। সেনা এনওসি দিলে ময়দানে বাজি বাজার বসতে কোনও অসুবিধা নেই।’’