• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনেই মৃত্যু বৃদ্ধের

Death
প্রতীকী ছবি

কয়েক বছর আগে দুর্ঘটনায় তাঁর পায়ের পেশি ও স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর পর থেকে মাঝেমধ্যে পায়ে যন্ত্রণা হত। শনিবারও তীব্র যন্ত্রণা শুরু হতে পরিজনেরা ওই ব্যক্তিকে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা তাঁকে দেখে কিছু ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেন। জানানো হয়, স্নায়ুরোগের  চিকিৎসা সেখানে হয় না। ওই ব্যক্তিকে এসএসকেএম বা অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের ভয়ে তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যাননি পরিজনেরা।

পুলিশ সূত্রের খবর, হরিদেবপুর থানা এলাকার চোঙারবোন ধাড়াপাড়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে রবিবার দুপুরে বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃতের নাম গোপাল মণ্ডল (৫৯)।

পরিজনেরা পুলিশকে জানিয়েছেন, যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই প্রৌঢ়। এ দিকে, গোপালবাবুর মৃত্যুর খবর পেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর বৃদ্ধ বাবা। বাড়িতেই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় বছর পঁচাশির ভূতনাথ মণ্ডলের। 

এ দিন সকালেই ওই থানা এলাকার বিদ্যাসাগর পল্লির একটি বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কাজল দাস (৪৪)। পড়শিরা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে থানায় খবর দেন। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।

প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, গত কালীপুজোয় তুবড়ি জ্বালাতে গিয়ে মৃত্যু হয় কাজলের একমাত্র ছেলের। তার পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হত না। সম্প্রতি স্ত্রীও বাড়ি ছেড়ে চলে যান। তার পর থেকেই ভেঙে পড়েছিলেন কাজল।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন