পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে। তবে সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই সোমবার জানিয়েছে, আপাতত ঘরোয়া বাজারে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (এনএলজি) মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই।
সরবরাহের প্রবাহ অটুট রাখতে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এলএনজি ঘরোয়া ব্যবহারে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলেও ওই খবরে দাবি। এলপিজি গ্যাসের বাড়তি মজুত এবং কালোবাজারি রোধ করার জন্য বুকিং-সময়সীমা ২১ দিন থেকে ২৫ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে দাবি, আগে যাঁরা ৫৫ দিনে এলপিজি সিলিন্ডার বুক করতেন , তাঁরা এখন ১৫ দিনে বুকিং শুরু করেছিলেন। সে কারণেই আগে সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছিল।
এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার দেশের তেল শোধনাগারগুলিকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছে। বাণিজ্যিক সংযোগের তুলনায় ঘরোয়া এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আলজ়িরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নরওয়ের মতো দেশগুলির সঙ্গে এলপিজি আমদানির জন্য ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পেট্রল ও ডিজ়েল এবং অ্যাভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে না, কারণ, দেশে যথেষ্টই মজুত রয়েছে। অশোধিত তেলের দাম যদি ব্যারেল প্রতি ১৩০ ডলার অতিক্রম না করে, পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই। হরমুজ় প্রণালী ছাড়া অন্যান্য পণ্যপথ দিয়ে অশোধিত তেল আনার প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করা হয়েছে। দেশে তেলের জোগান ধরে রাখতে আমেরিকা, রাশিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ভারতীয় তৈল শোধনাগারগুলি। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত যদি আরও বেশি দিন চলে, সে ক্ষেত্রে তেলের জোগানে ভাটা পড়তে পারে। সেই আশঙ্কায় আগেভাগেই সক্রিয় হয়েছে নয়াদিল্লি।