অন্যান্য দিনের মতোই ক্লাস চলছিল স্কুলে। যেখানে ক্লাস নেই, সেখানে লেগেছিল শৈশবের কোলাহল। কিন্তু আচমকাই একটা বিকট শব্দ, আর সেই সঙ্গে কোলাহল পাল্টে গেল আর্তনাদে। নাইজেরিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী লাগোসে গত বুধবার, ১৪ মার্চ একটি প্রাথমিক স্কুল ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অন্তত ১০০ শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

দ্বীপ শহর লাগোসের ইতা ফাজি নামের একটি আবাসিক এলাকায় স্কুলটি অবস্থিত। স্কুল ভবন ধসে পড়ার ঘটনার খবর পাওয়ামাত্র সেখানে উদ্ধার অভিযানে যায় উদ্ধারকর্মীরা। নাইজেরিয়ার সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই স্কুল ভবনের ভিতরে আটকে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিশুসহ অন্যান্য কিছু মানুষও। তবে হতাহতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।

ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে এখনও অবধি ৪০ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। এখনও জারি আছে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান। উদ্ধার জড়ো হয়েছে হাজার হাজার লোক। উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। তবে মানুষের ভিড় বেশি হওয়ায় উদ্ধার কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: চুক্তিহীন ব্রেক্সিট এড়াতে লড়াই ফের পার্লামেন্টে

তবে নাইজেরিয়ায় এ ভাবে বাড়ি ধসে পড়া এই প্রথম নয়। দুর্বল পরিকাঠামো সামগ্রী ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বাড়ি-ঘর তৈরির কারণেই এমনটা হামেশাই ঘটছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আগে ২০১৬ সালেও উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় একটি বহুতল ধসে পড়ায় শতাধিক লোক মারা গিয়েছিলেন। ২০১৬ সালেই লাগোসে আরও একটি পাঁচ তলা বহুতল ধসে পড়ে মারা গিয়েছিলেন আরও ৩০ জন।

আরও পড়ুন: ‘পুরুষালি, ওঁকে কে ধর্ষণ করবে!’