চাঁদের মাটিতে পালক পতন হয়নি ল্যান্ডার বিক্রমের। সেই নিয়ে ভারতকে বিদ্রূপ করেছিলেন পাকিস্তানের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী। তবে তার জন্য দেশের মানুষেরই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। তারই মধ্যে এ বার  চন্দ্রাভিযানের জন্য ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোকে অভিনন্দন জানালেন পাকিস্তানের ভাবী মহিলা মহাকাশচারী নমিরা সলিম। তাঁর মতে, চন্দ্রযান-২ শুধুমাত্র ভারতেরই নাম উজ্জ্বল করেনি, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়াকে  গর্বিত করেছে।

ভারতের চন্দ্রযান-২ নিয়ে সম্প্রতি করাচির একটি বিজ্ঞান পত্রিকার পোর্টালকে সাক্ষাৎকার দেন নমিরা। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডার বিক্রমের পালক পতনের ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার জন্য ভারত এবং ইসরোকে অভিনন্দন। চন্দ্রযান-২ গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটা বড় সাফল্য। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’’

নমিরা সলিমের মতে, ‘‘মহাকাশে দক্ষিণ এশিয়া উপ মহাদেশের এই সাফল্য অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। কোন দেশ নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ মহাশূন্যে রাজনৈতিক বেড়া বিলীন হয়ে যায়।’’

আরও পড়ুন: একটা সাফল্যের পিছনে অজস্র ব্যর্থতা! বিজ্ঞানের ইতিহাসই তো ইসরোর সম্বল​

আরও পড়ুন:  ইসরোয় মুগ্ধ এই সাহসিনী পাকিস্তানিকে চেনেন? দুই মেরু জয় করে এ বার যাবেন মহাকাশে​                              

আদতে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হলেও, দুবাই এবং মোনাকোতেই থাকেন নমিরা সলিম। রোমাঞ্চের খোঁজে দুর্গম জায়গায় যাওয়ার নজিরও তৈরি করেছেন তিনি। প্রথম পাকিস্তানি মহিলা হিসাবে ২০০৭ সালে উত্তর  মেরু এবং ২০০৮ সালে দক্ষিণ মেরুতে পা রাখেন তিনি। সেই সূত্রেই ভার্জিন গ্যালাকটিকে চেপে মহাকাশে পা রাখার সুযোগ পেয়ে যান। তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত মহাকাশে পা রাখতে পারেননি বটে, তবে ভবিষ্যতে তাঁকে মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে। যদিও ২০০৬ সালেই তাঁকে দেশের প্রথম মহিলা মহাকাশচারী ঘোষণা করে পাক তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রক।