পিচের মতো কুচকুচে কালো জল। রাতের অন্ধকারে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৫০ মিটার নীচে যেমন হতে পারে। তার মধ্যে হঠাত্ সাদা শুঁড়ের মতো একটা কিছু এগিয়ে আসছে।আস্তে আস্তে এগিয়ে আসা সেই শুঁড় কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শুঁড়ে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। সেই শুঁড়গুলির একটি এগিয়ে এসে ক্যামেরা ছুঁয়ে দেখে গেল। মনে হয় কোনও বিপদ আছে বা খাদ্য বস্তু কিনা বোঝার চেষ্টা করছিল। আর হঠাত্ যেমন উদয় হয়েছিল, তেমনই হঠাত্ জলের গভীরে হারিয়ে গেল প্রাণীটি।

আসলে এটি একটি দৈত্যাকার স্কুইড। গভীর সমুদ্রের প্রাণী স্কুইডের আটটি মাংসল পা এবং দু’টি টেন্টাকল বা শুঁড় রয়েছে । স্কুইডের শরীর নরম মাংসল। একটি লম্বাটে মাথা রয়েছে। স্কুইড যখনই কোনও বিপদের আশঙ্কা করে, রঙিন তরল পদার্থ ছিটিয়ে দেয়। আশপাশের জল রঙিন ঘোলাটে হয়ে যায়। ফলে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায় প্রাণীটি।

মেক্সিকো উপসাগরে ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) আর্থিক সহায়তায় ২৩ জনের একটি দল গবেষণা চালাচ্ছে। প্রায় আলো-ছাড়া সমুদ্রের গভীরে বসবাসকারী এই সব প্রাণীদের বিষয়ে আরও বেশি জানতেই এই গবেষণা চলছে।

 

গবেষণা দলের দাবি, আমেরিকার জল সীমায় এত বড় স্কুইড জীবন্ত অবস্থায় এই প্রথম ক্যামেরায় ধরা পড়ল। এই ভিডিয়োটি ২১ জুন প্রকাশ করেছে এনওএএ বা নোয়া। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪১ হাজার বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি।

আরও পড়ুন : একটা ক্ষুদ্র প্রাণী আটকে দিল ১২ হাজার জাপানিকে

আরও পড়ুন : রেকর্ড করা হাঁসের ডাক শুনিয়ে বাচ্চাদের বের করছেন দমকল কর্মীরা! ভাইরাল ভিডিয়ো