খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও শারীরিক যত্নের অভাবে শরীরে বাসা বাঁধে মানসিক উদ্বেগ।অল্পেই ক্লান্ত হয়ে পড়ি আমরা। খারাপ কোলেস্টেরলের সমস্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা, প্রয়োজনীয় শারীরিক কসরত তো করবেনই, তার সঙ্গে ডায়েটেও কিছু বিশেষ খাবার যোগ করার প্রয়োজন পড়ে।

চিকিৎসকরাও অনেক সময় বেশ কিছু ঘরোয়া পানীয়ে আস্থা রাখেন। তেমনই এক কার্যকর খাবার কিসমিস ভেজানো জল। হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখা, শরীরে প্রভূত ক্যালসিয়ামের জোগান ও খারাপ কোলেস্টেরলকে দূরে ঠেলতে এই জল বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

কিসমিসে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে অতিরিক্ত শক্তির জোগান দেয়। রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতেও এই জল খুবই কার্যকর। মেয়েরা রক্তাল্পতাজনিত সমস্যায় বেশি ভোগেন বলে এই পানীয় তাদের জন্য খুবই উপকারী। শুধু তা-ই নয়, পেটের অসুখ থেকে যকৃতের যে কোনও অসুখ, রক্ত পরিশোধন ইত্যাদি নানা কাজেই কিসমিস খুবই ফলপ্রসূ। এই পানীয় খাওয়ার নিয়ম জানেন কি?

আরও পড়ুন: ফেসিয়ালের পর এ সব কৌশল মেনে চললে তবেই জেল্লা দীর্ঘস্থায়ী হবে

১০০ গ্রাম কিসমিস ভাল করে ধুয়ে এক গ্লাস জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এই জল ছেঁকে খালি পেটে খেয়ে নিন। ভাল ফল পেতে ছাঁকা জল খানিক গরম করেও খেতে পারেন। তবে এই পানীয়র পর আধ ঘণ্টা আর কিছু খাবেন না। সপ্তাহে পাঁচ দিন এই জল খেলে শারীরিক নানা সমস্যা থেকেই সরে থাকতে পারবেন।

আরও পড়ুন: এই সব জিনিস ওয়াশিং মেশিনেও কাচা যায়! জানতেন?

অনেক সময় হালকা রঙের কিসমিসে নানা রাসায়নিক মেশানো থাকে। তাই চেষ্টা করবেন গাঢ় রঙের একটু বেশি শুকনো গোছের কিসমিস কিনতে। তবে যাঁরা ডায়াবিটিসে ভুগছেন বা কার্বোহাইড্রেট ফ্রি ডায়েটে আছেন, তাঁরা কিসমিস ভেজানো জল খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।