ময়দা-বিস্কুটের গুঁড়ো কিছুই নেই, অন্য রকম ফিশ ফ্রাই থাকুক স্ন্যাক্সে

নিজস্ব প্রতিবেদন
ময়দা-বিস্কুটের গুঁড়ো কিছুই নেই, অন্য রকম ফিশ ফ্রাই থাকুক স্ন্যাক্সে

মাছ ভাজা। তবে একটু অন্যরকমভাবে। মাছ যে প্রোটিনের উৎস, এ কথা সবারই জানা। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে তাই রোজ মাছ খাওয়াটা বাঙালিদের কাছে অন্তত নতুন কিছু নয়। তবে মাছ ভাজা কি রোজ রোজ একইরকমভাবে ভাল লাগে? মাছের সঙ্গে গন্ধরাজ লেবুর মোড়কে ব্যাপারটা একটু অন্যরকমও হতে পারে কিন্তু। দোকান থেকে কিনে অর্ডার দিয়ে ফিশ উইংস বা ফিশ ফ্রাই খেতে আর ইচ্ছেই করবে না এটা পাতে পড়লে। ময়দা কিংবা বিস্কুটের গুঁড়ো লাগবে না এতে। লাগবে না চিনিও। তাই এই পদ বাচ্চারাও সহজেই খেতে পারবে। রইল গন্ধরাজ ফিশ ফ্রাইয়ের রেসিপি।

উপকরণ


ভেটকি বা রুই-কাতলা: ৪ পিস

মধু: ১ টেবিল চামচ

চিলি সস: হাফ চা চামচ

টোম্যাটো সস: হাফ চা চামচ

গন্ধরাজ লেবুর রস:১ চা চামচ

গন্ধরাজ লেবুর খোসা কোরা: ১চা চামচ  (ভিতরের সাদা অংশ বাদে)

নুন ও লঙ্কা: স্বাদ অনুযায়ী

সর্ষের তেল

গোলমরিচ: স্বাদ অনুযায়ী

মেয়োনিজ

ধনে পাতা (সাজানোর জন্য)

প্রণালী: মাছের টুকরোগুলিতে নুন, গোলমরিচ, গন্ধরাজ লেবুর রস মাখিয়ে নিন। সস-সহ সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ম্যারিনেশনের জন্য। অন্তত ঘণ্টা দুই ম্যারিনেট করে রাখুন। এ বার কড়াইয়ে বা ফ্রাইং প্যানে সর্ষের তেল দিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন মাছের টুকরোগুলো। কাঁটা এড়াতে চাইলে মাছের কিউব বা ভেটকি-আড় জাতীয় মাছ ব্যবহার করতে পারেন। রুই কিংবা কাতলা মাছেও স্বাদের কোনও কমতি হবে না। সে ক্ষেত্রে তেলের অংশ ছাড়িয়ে তবে ম্যারিনেট করতে হবে।

তেল এড়াতে চাইলে আভেন ১৬০ ডিগ্রিতে প্রি-হিট করে ৫০ মিনিট ধরে বেক করে নিলেই তৈরি গন্ধরাজ ফিশ ফ্রাই। পরিবেশনের সময় মেয়োনিজ কিংবা চিলি সস ও টোম্যাটো সসের মিশ্রণ দিন সঙ্গে। ধনেপাতা সাজিয়ে পরিবেশন করুন গন্ধরাজ ফিশ ফ্রাই।