• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

‘যন্ত্রণা কমাতে হাসি-ঠাট্টা করা ছাড়া উপায় ছিল না’, সহবাগ-দ্রাবিড়ের সেই টেস্ট নিয়ে বললেন আফ্রিদি

Virender Sehwag and Rahul Dravid
বীরেন্দ্র সহবাগ ও রাহুল দ্রাবিড়।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি টুইটারে এক ছবি পোস্ট করে জানতে চেয়েছে তা কোন বছরের। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাঠে শোয়েব আখতারের সঙ্গে হাস্যরত শাহিদ আফ্রিদিকে। তা দেখে পাল্টা টুইট করলেন স্বয়ং আফ্রিদি।

শাহিদ আফ্রিদি লিখেছেন, “দুর্দান্ত স্মৃতির। আমার বিশ্বাস ২০০৬ সালে লাহৌরে ভারতের বিরুদ্ধে এটা। যেখানে আমার অন্যতম ফেভারিট ইনিংস রয়েছে। শোয়েব বরাবরই ব্যাটসম্যানের কাছে আতঙ্ক। তবে এটা ছিল একেবারেই পাটা উইকেট। বোলারদের তাই যন্ত্রণা কমাতে ঠাট্টা-রসিকতায় মেতে ওঠা ছাড়া উপায় ছিল না।” সেই টেস্টে আসলে শোয়েবদের যন্ত্রণার কারণ ছিলেন বীরেন্দ্র সহবাগ ও রাহুল দ্রাবিড়। দু’জনে ওপেন করে যোগ করেছিলেন ৪১০ রান!

আরও পড়ুন: নেতৃত্বে সৌরভ, বহু প্রশ্ন রেখে সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল বেছে নিলেন শ্রীসন্থ

আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত রঞ্জিজয়ী বাংলা দলের সদস্য

প্রথমে ব্যাটিং করে সাত উইকেটে ৬৭৯ রানে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান। ইউনিস খান (১৯৯), মহম্মদ ইউসুফ (১৭৩), কামরান আকমল (১০৩) ও শাহিদ আফ্রিদি (১০২) সেঞ্চুরি করেছিলেন। তার মধ্যে আফ্রিদির ১০২ রান এসেছিল মাত্র ৮১ বলে। সেই কারণেই এই ইনিংসকে অন্যতম ফেভারিট বলে চিহ্নিত করেছেন আফ্রিদি।

জবাবে প্রথম উইকেটে সহবাগ-দ্রাবিড় তোলেন ৪১০। যা পৌঁছে গিয়েছিল টেস্টে ওপেনিংয়ে ভারতীয় রেকর্ড ভাঙার থেকে করমর্দনের দূরত্বে। ভিনু মাঁকড় ও পঙ্কজ রায় ১৯৫৬ সালে চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওপেনিংয়ে করেছিলেন ৪১৩ রান। এর থেকে তিন রান পিছনে থামেন সহবাগ-দ্রাবিড় জুটি। ২৫৪ রানে ফেরেন সহবাগ। তাঁর ২৪৭ বলের ইনিংসে ছিল ৪৭ চার ও একটি ছয়। আর অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড় অপরাজিত থাকেন ১২৮ রানে। ২৩৩ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ১৯ বাউন্ডারি। ড্র হয় সেই টেস্ট। শোয়েব আখতার ১৬.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে থাকেন উইকেটহীন। আফ্রিদি ১১ ওভারে দেন ৫৫ রান।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন