ইংল্যান্ড লায়ন্স ও পাকিস্তান শাহিন্সের মধ্যে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচ বাতিল হয়ে গিয়েছে। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এশিয়ান ফুটবল সংস্থার কন্টিনেন্টাল ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ। দুবাই ও আবু ধাবিতে থাকতে ভয় পাচ্ছেন খেলোয়াড়েরা। ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের কাছে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার জনি বেয়ারস্টো।
ইরান ও ইজ়রায়েলের সংঘাতের ফলে পুরো পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ফুটবল ও ক্রিকেটেও। রবিবার একটি বিবৃতি জারি করেছে এশিয়ান ফুটবল সংস্থা। সেখানে লেখা, সোমবার ও মঙ্গলবার আবু ধাবিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিট গ্রুপের শেষ ষোলোর ম্যাচ ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা হওয়া সম্ভব নয়। কবে সেই ম্যাচ হবে তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
রবিবার আবু ধাবির জ়ায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড লায়ন্স বনাম পাকিস্তান শাহিন্সের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচ হবে না। ইংল্যান্ডের সরকারের নির্দেশ মেনে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড।
ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড একটি বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের সুরক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিম এশিয়ায় এই পরিস্থিতিতে খেলতে নামার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। রবিবারের ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আবু ধাবিতে যাওয়ার কথা ছিল ইংল্যান্ডের মহিলা দলের। সেই সফরও আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
ইংল্যান্ড লায়ন্সের কোচ হয়ে আবু ধাবি গিয়েছেন বেয়ারস্টো। তিনি আর্জি করেছেন, এই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের সে দেশ থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হোক। ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটি ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন। তার নীচেই বেয়ারস্টো লিখেছেন, “আমাদের কি দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন?”
বেয়ারস্টো জানিয়েছেন, বিমান বাতিলের পর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তাঁরা। ফলে আতঙ্কে রয়েছে পুরো দল। বেয়ারস্টো এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “বিমান বাতিল হয়ে যাওয়ার পর আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করছি। কিন্তু পারছি না। সকলে আতঙ্কে রয়েছে। দয়া করে কেউ যোগাযোগ করুন।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
‘বন্ধু ট্রাম্প ফোন করেছেন’! ৪০ মিনিট ধরে কথা বলার পরে জানালেন মোদী, হরমুজ় ছাড়াও আর কী কী নিয়ে আলোচনা
-
আমেরিকাকে ফাঁকি দিয়ে হরমুজ় প্রণালী পেরিয়ে গেল ইরান বন্দর থেকে ছাড়া দুই জাহাজ! দাবি রিপোর্টে
-
নেতানিয়াহুদের সঙ্গে প্রতিরক্ষাচুক্তি স্থগিত করে দিলেন মেলোনি! জানালেন, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত
-
মার্কিন মধ্যস্থতায় ইজ়রায়েল-লেবানন শান্তি বৈঠকের আগে বেইরুটকে চাপ হিজ়বুল্লা গোষ্ঠীর! দাবি, বৃথা যাবে চেষ্টা
-
ইরানের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কেউ যেন নাক না গলায়! হরমুজ় অবরুদ্ধ করতেই আমেরিকাকে হুমকি চিনের