Advertisement
E-Paper

খার্গ আইল্যান্ডে গিয়ে ইরানের তৈলভান্ডার দখল করতে পারে আমেরিকা! দাবি ট্রাম্পের, ইঙ্গিত দিলেন স্থলপথে অভিযানেরও

ইরানের প্রধান তৈলভন্ডার খার্গে এর আগে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ওই দ্বীপের সামরিক ঘাঁটিগুলি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। তবে তেলে হাত দেওয়া হয়নি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ০৯:০১
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলভান্ডার দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলভান্ডার দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের তৈলভান্ডার দখল করে নেওয়ার ভাবনা রয়েছে আমেরিকার। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খার্গ আইল্যান্ডে মার্কিন ফৌজ ঢুকে পড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানে স্থলপথে সেনা অভিযানের।

রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যানশিয়াল টাইম্‌সকে একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খার্গ আইল্যান্ডের প্রসঙ্গ তোলেন ট্রাম্প। বলেন, ‘‘সত্যি কথা বলতে, ইরানের তৈলভান্ডারটা নিয়ে নেওয়াই আমার প্রিয় কাজ। কিন্তু আমেরিকায় বসে কিছু বোকা লোকজন প্রশ্ন তুলছেন, কেন আমি এটা করছি! ওরা বোকা লোক।’’ খার্গ দখল করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘‘হয়তো আমরা খার্গ আইল্যান্ডটা নিয়ে নেব। হয়তো নেব না। আমাদের অনেক কিছুই করার আছে। তার মানে আমাদের সেখানে (খার্গে) গিয়ে কিছু সময়ের জন্য থাকতেও হবে।’’

ইরানের প্রধান তৈলভন্ডার খার্গে এর আগে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ওই দ্বীপের সামরিক ঘাঁটিগুলি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। তবে তেলে এখনও হাত দেওয়া হয়নি। হরমুজ় প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণে বাধা দেওয়া বন্ধ না-করলে তৈলভান্ডারেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। রবিবার সাক্ষাৎকারে ভেনেজ়ুয়েলায় আমেরিকার নীতির সঙ্গেও ইরান-নীতির তুলনা করা হয়। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তাঁর দেশ থেকেই তুলে নিয়ে গিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। তার পর সেই দেশের তৈলভান্ডারে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইরানের তেলের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের তেমন পরিকল্পনা রয়েছে কি না, স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে সারা বিশ্বের তেলের বাজারে আরও বড় প্রভাব পড়তে চলেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। আমেরিকা যদি ইরানের তৈলভান্ডারে হাত দেয়, তবে সংঘাত আরও তীব্র হবে পশ্চিম এশিয়ায়। ফলে আরও বাড়তে পারে খনিজ তেলের দাম।

গত কয়েক দিন ধরেই একাধিক রিপোর্টে দাবি, ইরানে স্থলপথে অভিযানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ওয়াশিংটন। দু’দিন আগেই সাড়ে তিন হাজারের বেশি সৈন্য নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছে গিয়েছে আমেরিকার রণতরী ইউএসএস ট্রিপোলি। এটি ‘উভচর’ আক্রমণে সিদ্ধ। ওই এলাকায় মার্কিন ফৌজের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে ট্রাম্পের খার্গ দখলের ইঙ্গিতকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। তবে সমঝোতার আলোচনাও চলছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, আমেরিকা এবং ইরানকে শীঘ্রই মুখোমুখি তারা আলোচনায় বসাবে। কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধানের আর্জি জানিয়েছে সব দেশ।

West Asia Donald Trump US Israel vs Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy