Advertisement
E-Paper

ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’! আমেরিকা, ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে জবাব দিতে কী কী সমরাস্ত্র ব্যবহার খামেনেইয়ের দেশের

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই সে দেশের প্রশাসন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে ‘নরকের দরজা দেখিয়েই ছাড়ব’। তার পর থেকেই দুই দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু করেছে ইরান।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৩
মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলা। ছবি: রয়টার্স।

মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলা। ছবি: রয়টার্স।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর দুই দেশের বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরালো করেছে ইরান। তারা আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু করেছে। এই অভিযানে প্রতিপক্ষ দু’দেশের বিভিন্ন ঠিকানায় একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে খামেনেইয়ের দেশ। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই সে দেশের প্রশাসন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে ‘নরকের দরজা দেখিয়েই ছাড়ব’। আর তার পর থেকেই দুই দেশের বিরুদ্ধে সংগঠিত এবং সুনির্দিষ্ট ভাবে হামলা চালাতে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু করেছে ইরান।

এই অভিযানে খেইবার শেকন ক্ষেপণাস্ত্রকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। এটি ইরানের অস্ত্রভান্ডারের অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলির মধ্যে একটি। ইরানের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র ইজ়রায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙে তছনছ করে একের পর এক সেনাঘাঁটি, সরকারি দফতর এবং পূর্ব জেরুসালেমে হামলা চালিয়েছে। এই হামলার পরই ইজ়রালেয়িদের সতর্ক করে ইরান বলেছে, সেনাঘাঁটি এবং সরকারি দফতরগুলি থেকে দূরে থাকুন।

খেইবার শেকন ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের অস্ত্রভান্ডারের নবীন সদস্য। অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে এটি ইরানের অন্যতম প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে। ইরানের দাবি, প্রতিপক্ষ দুই দেশের ঘুম ‘ওড়ানোর’ পক্ষে যথেষ্ট তাদের এই ক্ষেপণাস্ত্র। এটি দীর্ঘপাল্লার সলিড ফুয়েল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি চতুর্থ প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র, যা ২০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে। এর পাল্লা এতটাই বেশি যে, ইজ়রায়েল, মিশর, সৌদি আরব এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশও এই ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানার আওতায় চলে আসে। ইরান দাবি করছে, এখনও তারা শুধু অস্ত্রভান্ডারের খুব সামান্য অংশই আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। তবে প্রয়োজনে যে পুরো শক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে প্রস্তুত, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে তারা। খেইবার শেকন ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে স্যাটেলাইট গাইডেন্স ব্যবস্থা। এটি বিপুল পরিমাণ পরমাণু বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। ওজন ১৫০০ কেজি। ২০২৪ সালে ‘ট্রু প্রমিস ১’ অভিযানে ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল ইরান।

এ ছাড়াও আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে ইরানের শাহেদ ১৩৬ আত্মঘাতী ড্রোন। সস্তার এই ড্রোন দিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার বেশ কয়েকটি সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায়। বিপুল পরিমাণে এই ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রের দাবি। অত্যন্ত ঘাতক এই ড্রোন আকারে ছোট। এই ড্রোন ২০০০-২৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। ইরান থেকে ইজ়রায়েলের দূরত্ব প্রায় ১৬০০-১৮০০ কিলোমিটার। ফলে সহজেই এই ড্রোনকে কাজে লাগাতে পারছে ইরান। ২০২০ সালে এই ড্রোন তৈরি করে ইরান।

Iran USA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy