বজরংবলির আশীর্বাদে জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয়। বজরংবলিকে তুষ্ট করা বড় কোনও ব্যাপার নয়। তিনি অল্পতেই খুশি হন, ভক্তের প্রার্থনাও শোনেন। বজরংবলির আশীর্বাদ সঙ্গে থাকলে বহু কঠিন পরিস্থিতিকে খুব সহজেই মোকাবিলা করার শক্তি পাওয়া যায়। বজরংবলি যেমন নিষ্ঠার সঙ্গে প্রভু রামের আরাধনা করতেন, অনেকটা সেই রকম মন দিয়েই বজরংবলিকেও ডাকতে হবে। তা হলে তিনি আপনার কাজে খুশি হবেন নিশ্চিত। তবে শাস্ত্রজ্ঞেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বজরংবলির আরাধনা মন্দিরে গিয়ে করারই নিদান দেন। কিন্তু কেন? বজরংবলির মূর্তি কি তা হলে বাড়িতে রাখা উচিত নয়? খোঁজ দিলেন জ্যোতিষী।
আরও পড়ুন:
- শাস্ত্র জানাচ্ছে, হনুমানজির মূর্তি কখনও বাড়িতে রাখতে নেই। গৃহস্থ বাড়িতে কখনও হনুমানজির মূর্তি রাখা উচিত নয়। এতে বাড়ির উপর কুপ্রভাব পড়ে। সংসারে ঝগড়া-অশান্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বাড়িতে হনুমানজির মূর্তি ভুল করেও রাখা যাবে না।
- বিবাহিত বা অবিবাহিত, যে কোনও জাতিকারই হনুমানজির মূর্তি স্পর্শ করা অনুচিত বলেও জানাচ্ছে শাস্ত্র। হিন্দু ধর্মে এই কাজ না করার নিদান দেওয়া রয়েছে। তবে মেয়েরা যে তাঁর পুজো করতে পারবেন না তেমনটা একেবারেই নয়। কেবল তাঁর মূর্তিকে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
আরও পড়ুন:
-
অর্থকষ্ট থেকে বিয়ের বাধা, কর্পূর সব খারাপই জীবনের পাতা থেকে মুছে দিতে পারে! পালন করতে হবে কিছু সহজ টোটকা
-
প্রেয়সীর উপহারের খরচ জোগাবে লটারি! ভালবাসার সপ্তাহে ফাটকায় অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা পাঁচ রাশির, তালিকায় কারা?
-
প্রেমে কষ্ট পান না, রয়েছে চুম্বকীয় ক্ষমতা! সঙ্গীকে আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রেও জুড়ি মেলা ভার, যে পাঁচ রাশির প্রতি দিনই ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’
- বাড়িতে হনুমানজির মূর্তি রাখার ইচ্ছা থাকলে বটগাছ এনে রাখতে পারেন। সেটিকেই সকাল-সন্ধ্যা ধূপ দেখিয়ে পুজো করা যেতে পারে। এরই সঙ্গে সকালবেলা সেটির গোড়ায় জলও দিতে হবে। তা হলে খুব ভাল ফল পাবেন।
- এ ছাড়া যাঁদের সদর দরজা দক্ষিণমুখী, তাঁরা সদর দরজায় পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি ঝোলাতে পারেন। এর ফলে বাড়িতে কোনও নেগেটিভ শক্তি প্রবেশ করতে পারবে না। সুখশান্তির অভাবও থাকবে না।