• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

করোনা চিকিৎসায় নতুন দিশা, পুরস্কৃত ভারতীয় বংশোদ্ভূত কিশোরী

Anika Chebrolu
অনিকা শেবরোলু।

সবার আগে করোনার প্রতিষেধক কে আনবে, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্ব জুড়ে। আমেরিকা, চিন, রাশিয়ার মতো তাবড় দেশ তাতে শামিল। দিনরাত এক করে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা। এ বার তাদের সঙ্গে এক সারিতে নাম উঠে এল ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন কিশোরীর। তার গবেষণা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা ১৪ বছরের অনিকা শেবরোলু। অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে (সিলিকো মেথডস) কাজে লাগিয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কী ভাবে প্রতিরোধ করা যায় তা নিয়ে গবেষণা করছিল সে। কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসের উপরই মনোনিবেশ করে অনিকা। তাতেই একটি অণু তৈরি করে ফেলেছে সে, যা কোভিড সৃষ্টিকারী প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। 

বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণায় কম বয়সি ছেলেমেয়েদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ প্রতিযোগিতা রয়েছে। নিজের গবেষণার জন্য এ বছর  ২৫ হাজার ডলার ( ভারতীয় মুদ্রায় ১৮ লক্ষ টাকা)  পুরস্কার পেয়েছে অনিকা। তার গবেষণাটি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি যদিও। তবে এখনও গোটা বিষয়টা বিশ্বাস করে উঠতে পারছে না অনিকা। তার কথায়, ‘‘দারুণ উত্তেজনা অনুভব করছি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। ধাতস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি।’’

আরও পড়ুন: করোনার ‘নেজাল’ ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রস্তুতি সিরাম এবং ভারত বায়োটেকের

আরও পড়ুন: প্রায় ৩ মাস পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ৬০০-র কম, নতুন আক্রান্ত ৫৫৭২২​

অনিকা জানিয়েছে, ১৯১৮-র মহামারি নিয়ে পড়াশোনার পরই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নিয়ে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে পড়ে সে। গুচ্ছের প্রতিষেধক এবং ওষুধ বাজারে থাকা সত্ত্বেও প্রতিবছর আমেরিকায় বহু মানুষ ইনফ্লুয়েঞ্জায় মারা যান। তা-ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছি তাকে। অনিকার দাদু রসায়নের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর দৌলতেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় বলে জানিয়েছে অনিকা। বড় হয়ে মেডিক্যাল গবেষক হতে চায় বলে জানিয়েছে সে।  

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন