সৌদি আরবের তেল কারখানায় সন্ত্রাসবাদী হামলার ফলে সারা বিশ্বের তেল রফতানিতে বড় ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শনিবার রাতে সৌদির তেল কারখানা আরামকোতে ড্রোন হামলা হয়। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এলাকা। আরামকো সৌদির সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার। এখান থেকে পরিশোধিত তেল পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের বিভিন্ন বন্দরের মাধ্যমে সারা বিশ্বে পাড়ি দেয়। প্রতি দিন গড়ে প্রায় ৭০ লক্ষ ব্যারেল তেল পরিশোধন করে এই কেন্দ্র। আরামকোয় এই হামলার ফলে সারা বিশ্বে রোজ যে পরিমাণ তেল সৌদি রফতানি করে তার পাঁচ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি প্রশাসন। এর ফলে বিশ্ব জুড়েই তেল দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শনিবারের ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী। তবে এই হামলায় কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছেন আরামকোর চিফ এক্সিকিউটিভ আমিন নাসের। এর আগে একবার ২০০৬ সালে আরামকোকে নিশানা করেছিল আল কায়দার আত্মঘাতী জঙ্গিরা। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। হুথিরা হামলার দায় স্বীকার করলেও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেয়ো হামলার জন্য ইরানের দিকে আঙুল তুলেছেন। ‘ইয়েমেনের দিক থেকে হামলার কোনও প্রমাণ মেলেনি’, টুইটারে লিখেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
মন্দার কোপ মাহিন্দ্রায়, গাড়ি উৎপাদন বন্ধ হতে পারে ১৭ দিন পর্যন্ত

জঙ্গিদের ড্রোন হামলায় আগুন সৌদি-তেলভাণ্ডারে

বিষয়টি নিয়ে ভীষণই উদ্বিগ্ন সৌদির রাজকুমার। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে তিনি এ বিষয়ে কথাও বলেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এই সন্ত্রাসবাদী আগ্রাসনের মোকাবিলা করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন সৌদির রাজকুমার। সৌদিকে নিরাপত্তা দিতে সব রকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটনও। প্রয়োজনে তাদের কৌশলগত ভাবে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চিত পেট্রোলিয়ামও সৌদিকে দিতে তারা প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।