শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে প্রথম টি-টোয়েন্টির পর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও দাপটে জিতল অস্ট্রেলিয়া। রবিবার অ্যাডিলেডে প্রথম ম্যাচে ১৩৪ রানে জিতেছিল অজিরা। বুধবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় এল ৯ উইকেটে। একই সঙ্গে পকেটে পুরল সিরিজও।

এর আগে পাকিস্তানে গিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৩-০ ফলে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। স্বাভাবিক ভাবেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজে তাদের তরফ থেকে লড়াই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু তা ঘটল না একেবারেই। বরং এখন শ্রীলঙ্কার মাথার উপরেই ঝুলছে হোয়াইটওয়াশের খাঁড়া। শুক্রবার মেলবোর্নে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে না জিতলে পাকিস্তানের দশাই অপেক্ষা করছে শ্রীলঙ্কার জন্য। ঘরের মাঠে অজিদের রীতিমতো অপ্রতিরোধ্যও দেখাচ্ছে।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সফরকারী দল।  কিন্তু নির্ধারিত ২০ ওভার খেলতেই পারেনি শ্রীলঙ্কা। ১৯ ওভারে ১১৭ রানে দাঁড়ি পরে ইনিংসে। সর্বাধিক ২৭ করেন কুসল পেরেরা। ওপেনার গুণতিলকে করেন ২১। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটো করে উইকেট নেন বিলি স্ট্যানলেক, প্যাট কামিংস, অ্যাশটন আগার ও অ্যাডাম জাম্পা।

আরও পড়ুন: ‘ভারত-বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি আয়োজনের থেকে বায়ুদৃষণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’​

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের টেস্ট দলের নেতৃত্বে মোমিনুল, টি-টোয়েন্টিতে নেতা মাহমুদুল্লাহ​

জবাবে ১৩ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া (১১৮-১)। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ কোনও রান না করে ফিরলেও অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেটে ১১৭ রান যোগ করেন ডেভিড ওয়ার্নারস্টিভ স্মিথ। ওয়ার্নার অপরাজিত থাকেন ৬০ রানে। স্মিথ অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে। ৪২ বল বাকি থাকতেই সিরিজ ২-০ করে অস্ট্রেলিয়া।

অ্যাডিলেডে সেঞ্চুরি করেছিলেন ওয়ার্নার। এদিন তিনি করলেন হাফ-সেঞ্চুরি। দুরন্ত ছন্দে দেখাচ্ছে তাঁকে। ওয়ার্নারের প্রশংসা করে স্মিথ বলেছেন, “ও অসাধারণ ব্যাট করল। আগের ম্যাচেও দারুণ ছন্দে ছিল। এই ম্যাচেও সেই ফর্মে ছিল।” অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গা বলেছেন, “আমরা যথেষ্ট রান তুলতে পারিনি। ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব নিতে হবে। শট-বাছাই একেবারেই ঠিকঠাক ছিল না। মিডল অর্ডারে কোনও জুটিই গড়ে ওঠেনি।”