• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দার্জিলিঙে ভোট নয়: হাইকোর্ট

1
ফাইল চিত্র

আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দার্জিলিঙে পুরসভা ভোট হতে পারবে না— এমনই নির্দেশ দিল হাইকোর্টের জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার সার্কিটে বিচারপতি অমৃতা সিংহের সিঙ্গল বেঞ্চে দার্জিলিং পুরসভা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল। দার্জিলিং পুরসভায় ভোট হয়েছে ২০১৭ সালে। সে হিসেবে চলতি বছরে ভোট হওয়ারও কথা নয়। যদিও বিমল গুরুংপন্থীদের দাবি, দার্জিলিং পুরসভায় ৬ মাসের বেশি সময় ধরে প্রশাসক বসিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকার। পুর আইন অনুযায়ী, কোনও পুরসভায় ৬ মাসের বেশি প্রশাসক থাকলে সেখানে নতুন করে ভোট করানো যায়। গুরুংপন্থীদের আশঙ্কা, দার্জিলিং পুরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রাজ্য সরকার পুরভোট করাতে পারে। সেই আশঙ্কার কথা জানিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন গুরুংপন্থী কাউন্সিলরদের কয়েক জন। সেই মামলাতেই এ দিন সিঙ্গল বেঞ্চ দার্জিলিং পুরসভায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী শুনানি ২৪ এপ্রিল। এ দিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত।

২০১৭ সালের পুরভোটে দার্জিলিং পুরসভার ৩২টি ওয়ার্ডের সব ক’টিতেই মোর্চার প্রার্থীরা জেতেন। তার পরে আন্দোলনে অশান্ত হয় পাহাড়। সেই আন্দোলনের শেষে মোর্চার নেতৃত্ব আসে বিনয় তামাংয়ের হাতে। দার্জিলিঙের কাউন্সিলররাও যোগ দেন বিনয় শিবিরে। গত লোকসভা ভোটে দার্জিলিঙে বিপুল জয় পায় বিজেপি। তার পরেই পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিনয় শিবির থেকে সরে আসার ঘোষণা করেন। পুরবোর্ডের ক্ষমতা কাদের হাতে থাকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বোর্ডের টালমাটাল অবস্থায় রাজ্য সরকার দার্জিলিং পুরসভায় প্রশাসক বসায়। গুরুংপন্থীদের দাবি, তাঁদের ক্ষমতা থেকে আটকাতেই রাজ্য প্রশাসক বসিয়েছে। রাজ্যের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট মামলা করেছিলেন গুরুংপন্থীরা।

রাজ্যের তরফে থাকা এক আইনজীবীর মন্তব্য, “মামলা তো শেষ হয়নি। পরবর্তী শুনানি হবে। রাজ্য একবারও বলেনি দার্জিলিঙে নতুন করে পুরভোট হবে। রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দেব।” বেশ কিছু পুরসভায় আগামী এপ্রিলে ভোট করানো হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে। গুরুংপন্থী কাউন্সিলরদের আইনজীবী আনন্দ ভান্ডারী বলেন, “দার্জিলিং পুরসভার মেয়াদ শেষ হতে আরও আড়াই বছর বাকি আছে। তার আগে রাজ্য সরকার দার্জিলিঙে পুরভোট করাতে পারে, এমনটা আশঙ্কা করছি। তাই আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আমাদের দাবি, যাঁরা মানুষের ভোটে জিতে এসেছেন, তাঁদের পূর্ণ সময়ে কাজের সুযোগ দিতে হবে।” 
 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন