Advertisement
E-Paper

মার্কিন সেনাদের আশ্রয় দিলেই হামলা হবে, উপসাগরীয় দেশের হোটেলগুলিকে সতর্ক করল ইরান! চাপে রাখতে নয়া কৌশল

ফার্স নিউজ় এজেন্সি-র প্রতিবেদন বলছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং বাহরিনের হোটেলগুলিকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৪
হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে ঘরবাড়ি। ছবি: রয়টার্স।

হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে ঘরবাড়ি। ছবি: রয়টার্স।

মার্কিন সেনাদের আশ্রয় দিলেই সেই হোটেলগুলিকে নিশানা করা হবে। উপসাগরীয় দেশগুলির হোটেলগুলিকে এমনই হুঁশিয়ারি দিল ইরান। প্রসঙ্গত, উপসাগরীয় অঞ্চলে যে সব মার্কিন সেনাঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান, সেখান থেকে সরে এসে অস্থায়ী শিবির এবং বিভিন্ন হোটেলে আশ্রয় নিয়েছে মার্কিন সেনারা। এ বার সেই হোটেলগুলিতে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার ১৩টি সেনাঘাঁটি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সেই সব ঘাঁটি ছেড়ে এখন সেনাদের অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের হুঁশিয়ারি এল। বৃহস্পতিবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ তোলেন, উপসাগরীয় দেশগুলির নাগরিকদের ‘মানব ঢাল’ হিসাবে ব্যবহার করা শুরু করেছে মার্কিন সেনারা। তাই সেনাঘাঁটি ছেড়ে ওঁরা এখন হোটেল এবং বিভিন্ন সরকারি দফতরে আশ্রয় নিচ্ছেন।

এর পরই আরাঘচি উপসাগরীয় দেশগুলির হোটেলগুলিকে সতর্ক করেন। ফার্স নিউজ় এজেন্সি-র প্রতিবেদন বলছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং বাহরিনের হোটেলগুলিকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে। অন্য দিকে, ইরান সেনার মুখপাত্র অবৌলফজ়ল শোকরচী সরকারি টেলিভিশনকে বলেন, ‘‘যখন মার্কিন সেনারা কোনও হোটেলে আশ্রয় নেবে, সেই হোটেলও আমাদের নজরে ‘আমেরিকা’ হয়ে উঠবে। ফলে আমরাও হাত গুটিয়ে বসে থাকব না।’’ ফার্স নিউজ়-এর প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সিরিয়া, লেবানন এবং জিবুতিতেও মার্কিন সেনারা বিভিন্ন হোটেলে আশ্রয় নিচ্ছে। সেই হোটেলগুলিকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান সেনার মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাঁদের দেশে হামলা চালানোর জন্য আমেরিকাকে ওই সব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। বাহরিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হোটেলগুলিকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সেনাদের আশ্রয় দিলেই তাদেরও রেয়াত করা হবে না।

প্রসঙ্গত, সামরিক সংঘাতের শুরু থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলিতে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিতে একের পর এক হামলা চালায় ইরান। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে বহু মার্কিন সেনাঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যদিও পেন্টাগন বার বারই দাবি করেছে, ইরানের দাবির কোনও ভিত্তি নেই। তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলি অক্ষতই রয়েছে। তার মধ্যেই দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও আমেরিকার তরফে এই বিষয়ে সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy