প্রত্যেক বারের মতো এ বারও সেপ্টেম্বরের শেষে নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে ভারতের পরেই বলবে পাকিস্তান। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তোপের জবাব দেওয়ার সুযোগ পাবেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে অন্য বার যাই হোক, এ বছরে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এ বার পাকিস্তান যে কাশ্মীর নিয়ে ওই বৃহত্তম আন্তর্জাতিক মঞ্চকে গরম করার মরিয়া চেষ্টা করবে তা নিয়ে ভারতীয় কূটনীতিকদের সন্দেহ নেই। তাই মোদী নিজে আর বলার সুযোগ না পেলেও নিউ ইয়র্কে থেকে যাবেন বিদেশমন্ত্রী তথা প্রবীণ কূটনীতিক এস জয়শঙ্কর।

সূত্রের খবর, ভারতের পক্ষ থেকে পাক-বক্তব্যের পাল্টা ‘রাইট টু রিপ্লাই’ যেই করুন না কেন (বিদেশসচিব অথবা রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি) কৌশল রচনার দায়িত্বে থাকবেন জয়শঙ্করই।

রাষ্ট্রপুঞ্জের ওই বৈঠকের অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে কাশ্মীরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইতিবাচক ছবি তুলে ধরার কাজটি শুরু করে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান অধ্যক্ষ রাষ্ট্র ফিনল্যান্ডে যাচ্ছেন ১৯ সেপ্টেম্বর। ২১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার হিউস্টনে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। তারপর নিউ ইয়র্কে যাবেন কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের প্রচার সামলানোর কাজে। প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর ফিরে এলেও আমেরিকায় থেকে যাবেন জয়শঙ্কর। সূত্রের খবর, ৩০ সেপ্টেম্বর মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেয়োর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি আলোচনা হবে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ নিয়েও।