হিমাচল প্রদেশের মানালি পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে বিখ্যাত। কমবেশি প্রতি বছরই সেখানে পর্যটকের ঢল দেখতে পাওয়া যায়। কেবল ভারতের মানুষজনই নন, দেশের বাইরে থেকেও বহু জন আসেন মানালি তথা হিমাচল প্রদেশের সৌন্দর্য চাক্ষুষ করতে। তাই রাস্তার বহু জায়গায় সরকার থেকে বসানো হয়েছে চার্জিং পয়েন্ট, যাতে মোবাইলে চার্জ না থাকার কারণে পর্যটকদের সমস্যায় না পড়তে হয়। তাঁরা নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন। সেই চার্জিং পয়েন্টকে পর্যটকেরা পরিণত করলেন ময়লা ফেলার জায়গায়। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মানালির রাস্তায় পর্যটকের ঢল। কেউ কেনাকাটা করছেন, অনেকে খাবার খাচ্ছেন। কিছু মানুষ আবার রাস্তার পাশে থাকা বসার জায়গায় বসে গল্প করছেন। সে সবের মাঝে তৈরি করা হয়েছে একটি নতুন চার্জিং পয়েন্ট। লোহার তৈরি লম্বা খুঁটি। তার মাঝে মোবাইল রেখে চার্জ দেওয়ার জায়গা করা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে সেটির বয়স বেশি দিন হয়নি। কিন্তু ইতিমধ্যে সেই চার্জিং পয়েন্টের কার্যকারিতা বদলে ফেলেছেন পর্যটকেরা। সেখানে একটিও মোবাইল দেখতে পাওয়া গেল না। উল্টে চিপসের প্যাকেট, বিস্কুটের প্যাকেট জাতীয় আবর্জনা তার মধ্যে স্তূপ করে রাখা। খালি জলের বোতলও রাখা রয়েছে সেখানে। একটু এগিয়েই রয়েছে ময়লা ফেলার অন্য জায়গা। কিন্তু তা সত্ত্বেও চার্জিং পয়েন্টকেই ময়লা ফেলার জন্য বেছে নিয়েছেন মানুষজন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘নিখিল সাইনি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে দশ লক্ষেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। ২৫ হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্যবাক্সে প্রচুর নেটাগরিক পর্যটকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এঁরা ময়লা ফেলার জন্যই ঘুরতে যান।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এ সকল মানুষের ঘুরতে যাওয়াই উচিত নয়।’’