ইরানের যুদ্ধ প্রমাণ করেছে পরমাণু অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা! মঙ্গলবার এই দাবি করলেন উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট একনায়ক কিম জং উন। সে দেশের আইনসভা সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলিতে এক বক্তৃতায় তাঁর মন্তব্য, ‘‘আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলা প্রমাণ করল যে আমাদের দেশ পারমাণু অস্ত্র রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক কাজই করেছে।’’
যে সব দেশের কাছে পরমাণু অস্ত্র নেই তারা মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের মুখে কার্যত অরক্ষিত বলে দাবি করেছেন কিম। সেই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘‘আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা হলে সমুচিত জবাব মিলবে।’’ উত্তর কোরিয়ার শাসক জানিয়েছেন, আমেরিকার ‘মিষ্টি কথায়’ ভুলে তিনি অতীতে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পথে হাঁটেননি। ভবিষ্যতেও সে পথ মাড়াবেন না। তাঁর কথায়, ‘‘পরমাণু অস্ত্রের বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার নীতি অপরিবর্তনীয়।’’
আরও পড়ুন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউসে প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে তিনি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যে কূটনৈতিক বার্তালাপ শুরু করেছিলেন, তা আবার চালু করতে চান। আট বছর আগে কিমের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে বৈঠকের পরে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন শীঘ্রই পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পথে হাঁটবে পিয়ংইয়ং। এই আবহে ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে কিমের মন্তব্য, ‘‘পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের পরিকল্পনা বানচাল করে দিতেই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।’’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকা-ইউরোপের উপর চাপ বাড়িয়ে গত ১৩ মার্চ এক সঙ্গে ১০টি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল উত্তর কোরিয়া। এ বার কিম সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ওয়াশিংটনকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
১১:০৩
‘আমাদের হাতে ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরানের অবস্থাও হত গাজ়ার মতো’! দাবি পেজ়শকিয়ানের, নিশানায় আমেরিকা -
০৮:০৩
‘ভুল, খুব ভুল করছে’! ইরানকে ফের কী নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প? শান্তিবৈঠক বন্ধ করার হুমকিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের -
হিজ়বুল্লা-নিধনে ইজ়রায়েল হামলা চালিয়ে গেলেও ‘স্পিকটিনট’! ৩০০০০ কোটি ডলারে ইরানের মুখ বন্ধ করল আমেরিকা?
-
‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই’! যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রকাশে দেরি নিয়ে প্রশ্নে মজাচ্ছলেই খোঁচা ভান্সের
-
হিজ়বুল্লার সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ জানিয়েও ফের ইজ়রায়েলি হানা লেবাননে! শান্তিচুক্তিতে নারাজ নেতানিয়াহুর কৌশল কী?